ট্রেন্ডিং

TMC MP Mahua Moitra

‘‌প্রশ্ন–ঘুষ’‌ কাণ্ডে লোকপালের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র

‘‌অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন‌’‌ মামলায় তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে সিবিআই–কে চার্জশিট জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে লোকপাল। লোকপালের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ। বিচারপতি অনিল ক্ষেত্রপাল এবং বিচারপতি হরিশ বৈদন্যাথ শঙ্করের বেঞ্চ মহুয়ার মামলা গ্রহণ করেছে। আগামী ২১ নভেম্বর, শুক্রবার এই মামলার শুনানি হবে৷

সংসদে মহুয়া মৈত্র।

ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৮, ২০২৫
Share on:

অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই–কে চার্জশিট জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে লোকপাল আদালত। লোকপালের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ। বিচারপতি অনিল ক্ষেত্রপাল এবং বিচারপতি হরিশ বৈদন্যাথ শঙ্করের বেঞ্চ মহুয়ার মামলা গ্রহণ করেছে। আগামী ২১ নভেম্বর, শুক্রবার এই মামলার শুনানি হবে৷ 

২০২৩ সালে মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন তোলার অভিযোগ তোলেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, শিল্পপতি গৌতম আদানি সংস্থার বিরুদ্ধে প্রশ্ন করে মহুয়া মৈত্র লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতে চেয়েছিলেন। প্রশ্ন তোলার জন্য তিনি ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছিলেন৷ এই নিয়ে তিনি লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার কাছে চিঠি দিয়েছিলেন। মহুয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সংসদের এথিক্স কমিটির কাছে পাঠিয়ে দেন অধ্যক্ষ৷ এথিক্স কমিটি মহুয়ার বিরুদ্ধে ৪৯৫ পাতার রিপোর্ট পেশ করে। এই রিপোর্টের ভিত্তিতে লোকসভায় মহুয়া মৈত্রর সাংসদ পদ খারিজের প্রস্তাব পাশ হয়। অধ্যক্ষ ওম বিড়লা মহুয়া মৈত্রকে সংসদ থেকে বহিষ্কার করেন। অধ্যক্ষর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া মৈত্র। 


আরও পড়ুনঃ ইউনূস কেন অপরাধী নয়? হাসিনার‌ মৃত্যুদণ্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে শাস্তি চাইলেন তসলিমা নাসরিন


আরও পড়ুনঃ ‘‌ঢিলেঢালা কুর্তা পরে...একেবারে সেক্সি দেখাচ্ছিল’‌, শাহরুখের প্রতি কেন এত ‘‌ক্রাশ’‌ প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার?‌


গতবছর মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই–কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল লোকপাল। এরপর মহুয়ার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই। ৬ মাসের মধ্যে লোকপাল দফতরে তদন্তের বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেয়। এরপর মহুয়ার বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া এবং আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য লোকপালের কাছে অনুমতি চেয়েছিল সিবিআই। বুধবার লোকপালের পূর্ণ বেঞ্চ সিবিআই–কে চার্জশিট পেশের অনুমতি দিলেও আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। নির্দেশে লোকপাল জানিয়েছে, আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার পরেই আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার আবেদন বিবেচনা করা হবে।

১২ নভেম্বর লোকপাল এই মামলায় সিবিআই–কে চার্জশিট পেশের অনুমতি দেয়৷ এই নির্দেশের বিরুদ্ধে মহুয়া মৈত্র দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন। আবেদনে তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, লোকপালের এই নির্দেশ ভুল৷ এই নির্দেশের মাধ্যমে লোকপাল আইনের বিরোধিতা করা হচ্ছে এবং স্বাভাবিক বিচার প্রক্রিয়ার নীতি সম্পূর্ণরূপে লঙ্ঘন হয়েছে। সাংসদ অভিযোগ করেন, ‘‌অর্থের বিনিময়ে প্রশ্ন’‌ মামলার তদন্তে তাঁর কাছ থেকে নথিপত্র চাওয়া হয় এবং বক্তব্য জানাতে বলা হয়৷ মহুয়ার অভিযোগ, লোকপাল তাঁর বক্তব্য ও জমা দেওয়া নথি খতিয়ে না দেখে চার্জশিট পেশের নির্দেশ দিয়েছে৷  তিনি লোকপালের এই নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আদালতে আবেদন জানিয়েছেন।

আরও পড়ুনঃ

অন্যান্য খবর

Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.

Copyright © 2026 Inside Bangla News Portal . All Rights Reserved. Designed by Avquora