শীতের আমেজ পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রীড়া উৎসব আয়োজনের ধুম পড়ে যায়। সে কচি–কাঁচাদেরই হোক, কিংবা বড়দের। তবে বড়দের তুলনায় কচি–কাঁচারাই বেশি উৎসবে মতে ওঠে। স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া তাদের কাছে প্রতিযোগিতার আসর নয়, উৎসব। রবিবার এই রকমই এক ক্রীড়া উৎসবে কচি–কাঁচাদের সামিল করেছিল বড় আন্দুলিয়ার আলমাস মিশন।
দারুণ এক উৎসবমুখর পরিবেশে বড় আন্দুলিয়ার শিবির পাড়া মাঠে অনুষ্ঠিত হল আলমাস মিশনের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। বিশিষ্ট হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক কবি আকবর আলি সেখ ও তাঁর স্ত্রী ফাতেমা বেগম প্রতিষ্ঠিত আলমাস মিশনে সকাল থেকেই খুদেদের উচ্ছ্বাস, অভিভাবকদের উপস্থিতি এবং শিক্ষক–শিক্ষিকাদের তৎপরতায় জমে ওঠে ক্রীড়া উৎসব। বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে নুসরত শা, আব্দার মণ্ডল, হাবিব বিশ্বাস, ইউসুফ বিশ্বাস, পূর্ণিমা খাতুন, সাজিদ মণ্ডল ও মিম্মা খাতুন দারুণ নৈপূন্য দেখিয়ে সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
গোটা অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেন আলমাস মিশনের অধ্যক্ষা জাহানারা খাতুন ও প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য শিক্ষক–শিক্ষিকারা। বার্ষিক ক্রীড়া পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন রেফারি অ্যাসোসিয়েশনের সদর সেখ ও সামিউল ইসলাম। এছাড়া এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষক নুরুল ইসলাম মোল্লা, দীপন হালদার, বিভাস কুণ্ডু, মানিক সেখ ও নাসিম আহমেদও দারুণভাবে সহযোগিতা করেন। তাঁদের সাহায্যে এগিয়ে আসেন হাবিব সেখ, হামিদুল্লা বিশ্বাস,কুতুবুদ্দিন সেখ, ফটিক সেখরা।
আরও পড়ুনঃ অভিষেক শর্মার তাণ্ডবে উড়ে গেলেন সামিরা, অভিমন্যুর সেঞ্চুরি সত্ত্বেও পাঞ্জাবের কাছে ১১২ রানে বিধ্বস্ত বাংলা
শিশুদের জনমুখী ও মানসম্পন্ন শিক্ষায় আগ্রহী করে তুলতে আলমাস মিশনের ভূমিকা ইতিমধ্যেই সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন এলাকার সমাজসেবী আশরাফ আলি সেখ, বিশিষ্ট কবি হজরত আলি ও আজিজুল হক মণ্ডল প্রমুখ।
রবিবার আলমাস মিশনের বার্ষিক ক্রীড়ায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাননীয় জাহাঙ্গীর আলি দফাদার। শিশুদের প্রতিভা বিকাশ এবং সামাজিক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে রইল আলমাস মিশনের বার্ষিক ক্রীড়া উৎসব। আর কচি–কাঁচাদের হৃদয়ে আনন্দের রেশ।