ভবানীপুর ও রেনবোর সঙ্গে প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র। ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের কাছে হার। সুপার সিক্সে যাওয়ার রাস্তা খোলা রাখতে গেলে বৃহস্পতিবার পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে জিততেই হত মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসকে। মরণবাঁচন ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াল সবুজ–মেরুন ব্রিগেড। পিয়ারলেসকে ১–০ ব্যবধানে হারিয়ে সুপার সিক্সে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখল। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন থুমসল টংসিন। লিগে প্রথম জয় মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের।
৩ ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে পিয়ারলেসের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল মোহনবাগান। এদিন শুরুতে সবুজ–মেরুনের খেলা দেখে কখনোই মনে হয়নি জেতার জন্য মাঠে নেমেছে। প্রথম ২০ মিনিট গোল করার মতো একটাও পজিটিভ আক্রমণ নেই। মাঝমাঠ থেকে কোনও সাহায্যই পাচ্ছিলেন না আক্রমণভাগের দুই ফুটবলার সুহেল ভাট ও ফারদিন আলি মোল্লা। পিয়ারলেসও বারবার প্রতিআক্রমণে উঠে আসছিল। কিন্তু অনভিজ্ঞতার জন্য পেনিট্রেটিভ জোনে খেই হারিয়ে ফেলছিলেন পিয়েরলেস ফুটবলাররা। অবশেষে ২৩ মিনিটে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বাঁদিক থেকে একক প্রয়াসে বল নিয়ে এগিয়ে ডি বক্সের মধ্যে থেকে ডানপায়ের শটে গোল করেন টংসিন।
মনে হচ্ছিল এগিয়ে যাওয়ার পর আরও উজ্জীবিত খেলা দেখা যাবে মোহনবাগানের কাছ থেকে। কিন্তু তা দেখা যায়নি। গতি মন্থরতায় ভুগছিলেন সবুজ–মেরুন ফুটবলাররা। ফলে ব্যবধান বাড়ানোর মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি। অন্যদিকে, পিয়ারলেসও আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। তারাও সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হয়। আসলে দুই দলের ভুল পাসের বহর এতটাই ছিল যে, আক্রমণগুলি দানা বাঁধছিল না।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়েছিল পিয়ারলেস। ৫০ মিনিটের মধ্যে দু–দুটি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। এরপরই আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলা দারুণ জমে ওঠে। ৬৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ ছিল মোহনবাগানের সামনে। টাইসন সিংয়ের ফ্রিকিক কোনও রকমে বাঁচান পিয়ারলেস গোলকিপার সত্যব্রত মান্না। পিয়ারলেস বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। কিন্তু সমতা ফেরাতে পারেনি। ইনজুরি সময়ে মোহনবাগানের সালাউদ্দিনের সামনে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসছিল। তাঁর ফ্লিক পিয়ারলেস গোলকিপারের হাত ছুঁয়ে বেরিয়ে যায়। ১–০ ব্যবধানে জয় পেল। চতুর্থ ম্যাচে প্রথম জয় পেল মোহনবাগান।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.