বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের অভিশাপ কাটাল মেক্সিকো, হারাল দক্ষিণ আফ্রিকাকে, ম্যাচে ৩ লালকার্ডে রেকর্ড
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ মানেই মেক্সিকোর কাছে অভিশাপ। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২২ কাতার, মোট ৭ বার উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নেমেছে মেক্সিকো। একবারও জিততে পারেনি। এবার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচে পরাজয়ের অভিশাপ কাটাল মেক্সিকো। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম উদ্বোধনী ম্যাচে জয় পেল মেক্সিকো।
প্রথম গোলের পর উচ্ছ্বাস কিনিয়োনেসের।
ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬
Share on:
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ মানেই মেক্সিকোর কাছে অভিশাপ। ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০২২ কাতার, মোট ৭ বার উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নেমেছে মেক্সিকো। একবারও জিততে পারেনি। এবার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে উদ্বোধনী ম্যাচে পরাজয়ের অভিশাপ কাটাল মেক্সিকো। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম উদ্বোধনী ম্যাচে জয় পেল মেক্সিকো। প্রথম ম্যাচেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারাল ২–০ ব্যবধানে। ঘটনাবহুল হয়ে উঠল এই ম্যাচ। তিন–তিনজন ফুটবলারকে দেখতে হল লালকার্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ম্যাচের নিরিখে যা রেকর্ড।
উদ্বোধনী ম্যাচে নিজেদের পরিসংখ্যান খারাপ থাকলেও এবারের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে মেক্সিকানদের কোনও আশঙ্কা গ্রাস করেনি। একদিকে যেমন দলের সাম্প্রতিক পারফরমেন্স, অন্যদিকে আজতেকা স্টেডিয়ামের অতীত পরিসংখ্যান। ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে মাঠে নামার আগে এই স্টেডিয়ামে ৭টি ম্যাচ খেলেছিল মেক্সিকো। ৫টিতে জয়, ২টিতে পরাজয়। ফলে মেক্সিকানরা অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী হয়েই এদিন গ্যালারি ভরিয়েছিলেন। ম্যাচের শুরু থেকেই সেই ‘মেক্সিকান ওয়েভে’। পাল্লা দিয়ে রাউল হিমিনেজদের দেখনদারি ফুটবল।
শাকিরার মনমাতানো পারফরমেন্সের পরেই মেক্সিকানদের দুরন্ত ফুটবল। ম্যাচ শুরুর ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে প্রথম গোল, ৬৭ মিনিটে দ্বিতীয়। শক্তির বিচারে দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে মেক্সিকো অনেকটাই এগিয়ে। গোটা ম্যাচে তারাই ছিল নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায়। ম্যাচের ৮ মিনিট ৩২ সেকেন্ডেই গোল করে এগিয়ে যায় মেক্সিকো। এরিক লিরার কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর থেকে জোরালো শট নেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। তাঁর শট দক্ষিণ আফ্রিকা গোলকিপার রনওয়েন উইলিয়ামসের দুই পায়ের ভেতর দিয়ে জালে আশ্রয় নেয়। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচের ইতিহাসে এটা তৃতীয় দ্রুততম গোল। ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সিজার সাম্পাইও গোল করেছিলেন ৫ মিনিটে, ২০০৬ বিশ্বকাপে জার্মানির ফিলিপ লাম করেছিলেন ৬ মিনিটে আর কিনিয়োনেস গোল করলেন ৯ মিনিটে। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন কিনিয়োকোস। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
বিরতির পর ৫০ মিনিটে বক্সের মাথায় মেক্সিকোর এরিক গুতিয়েরেজকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন সিথোলে। ৬৬ মিনিটে মাঠে নামেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে মেক্সিকোর সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সী গিলবার্তো মোরা।পরের মিনিটে মেক্সিকোকে দ্বিতীয় গোল এনে দেন রাউল খিমিনেজ। ডান প্রান্ত থেকে আলভারাদোর সেন্টার থেকে হেডে গোল করে কেঁদে ফেলেন মেক্সিকোর ৩৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। ম্যাচের ৮৪ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডার থেম্বা জেওয়ানে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। মেক্সিকোও অবশ্য ১১ জন নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি। ইনজুরি সময়ের ২ মিনিটের মাথায় লালকার্ড দেখেন স্টপার সিজার মন্তেস।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.