বিগত ৫ বছর ধরে বারবার মহান উদ্যোগে সামিল হয়েছে মাইন্ড গেমস চেস অ্যাকাডেমি ও চেসমিট ফাউন্ডেশন। কখনো ক্যান্সার আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে, কখনও আবার থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে এগিয়ে এসেছে। আবারও মহান উদ্যোগে সামিল মাইন্ড গেমস চেস অ্যাকাডেমি ও চেসমিট ফাউন্ডেশন। রবিবার কলকাতার লেক ক্লাবে এক অভিনব দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করল। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিভিন্ন শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকার চেক তুলে দিল।
এই অভিনব দাবা প্রতিযোগিতায় কর্পোরেট জগতের কর্তাব্যক্তি থেকে শুরু করে অধ্যাপক, শিক্ষক, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, সাংবাদিক, পেশাদার দাবাড়ু এবং প্রথিতযশা দাবাড়ুদের বাবা-মা প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন। এই অভিনব প্রতিযোগিতা আয়োজনে মাইন্ড গেমস চেস অ্যাকাডেমি ও চেসমিট ফাউন্ডেশনকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে লেক ক্লাব।
প্রতিযোগিতায় রেটিং বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অগ্নিম দত্ত, রানার্স কিরীট বিক্রম চন্দ। তৃতীয় আবির দত্ত। এছাড়া বিভিন্ন বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন অনির্বান ধরিত্রিপুত্র, অরিজিৎ সিনহা, উদয়ন কান্তি ঘোষ, দেবাংশ আড্ডি, ইন্দ্রজিৎ দত্ত শ্রেয়া ঘোষ ও শান্তা বিশ্বাস।
এদিন প্রতিযোগিতার শুরুতে অংশগ্রহনকারীদের উৎসাহ দিয়ে যান রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত, গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়া। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য, বিচারপতি কৌশিক চন্দ্র, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ, লেক ক্লাবের স্পোর্টস অ্যান্ড গেমসের চেয়ারম্যান সুবীর দত্ত প্রমুখ। রাজ্যের মন্ত্রী ভাস্কর ভট্টাচার্য মাইন্ড গেমস চেস অ্যাকাডেমি ও চেসমিট ফাউন্ডেশনের এই মহান উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।
মহান উদ্যোগে আবার সামিল হতে পেরে খুশি মাইন্ড গেমস চেস অ্যাকাডেমির সিইও ডঃ জয়ন্ত সরকার। তিনি বলেন, ‘গত ৫ বছর ধরে আমরা এই ধরণের উদ্যোগে সামিল হয়েছি। থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যের পাশাপাশি বয়স্ক ব্যক্তিদের ডিমেনশিয়া ও একাকীত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য দাবা যে অন্যতম মাধ্যম হতে পারে, সে বিষয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছি। সামাজিক কর্তব্য হিসেবে যারা এই মহান উদ্যোগে সামিল হয়েছেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
চেসমিট ফাউন্ডেশনের সম্পাদক অনির্বাণ মুখার্জি গোটা প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, ‘আবার এই ধরণের মহান উদ্যোগে সামিল হতে পেরে ভাল লাগছে। যারা আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের আন্তরিক অভিনন্দন। সকলের সাহায্যে আমরা ভবিষ্যতে এই ধরণের প্রয়াস চালিয়ে যাব।’