রিয়েল এস্টেট সেক্টরকে পুনরুজ্জীবিত করতে রাজ্য সরকারের সংস্কার উদ্যোগকে স্বাগত জানাল CREDAI
রাজ্যে ব্যবসা–বাণিজ্যের পরিবেশ সহজতর করা, প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ জোরদার করার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরাকারের সাম্প্রতিক নীতিগত উদ্যোগগুলিকে স্বাগত জানাল রাজ্যের বেসরকারি আবাসন ও নির্মাণ সংস্থাগুলোর শীর্ষসংগঠন ‘ক্রেডাই ওয়েস্টবেঙ্গল’ (CREDAI West Bengal)। সুসংগঠিত ও ‘রেরা’ (RERA) বিধিসম্মত ডেভেলপারদের সম্মিলিত কন্ঠস্বর হিসেবে ক্রেডাই সংস্কারের এই উদ্যোগকে একটা সময়োপযোগী ও গঠনমূলক পদক্ষেপ বলে মনে করে।
রাজ্যে ব্যবসা–বাণিজ্যের পরিবেশ সহজতর করা, প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ জোরদার করার লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরাকারের সাম্প্রতিক নীতিগত উদ্যোগগুলিকে স্বাগত জানাল রাজ্যের বেসরকারি আবাসন ও নির্মাণ সংস্থাগুলোর শীর্ষসংগঠন ‘ক্রেডাই ওয়েস্টবেঙ্গল’ (CREDAI West Bengal)। সুসংগঠিত ও ‘রেরা’ (RERA) বিধিসম্মত ডেভেলপারদের সম্মিলিত কন্ঠস্বর হিসেবে ক্রেডাই সংস্কারের এই উদ্যোগকে একটা সময়োপযোগী ও গঠনমূলক পদক্ষেপ বলে মনে করে। যা বাংলাকে রিয়েল এস্টেট বা আবাসন খাতে বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় ও নির্ভরযোগ্য স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।
সম্প্রতি রাজ্য সরকার বিশেষ অডিটে রাজ্যে নির্মাণাধীন ২৭টি প্রকল্পকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই অবৈধ প্রকল্পগুলির অধিকাংশই বরানগর, কামারহাটি অঞ্চলের। ক্রেডাই স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, এই অবৈধ প্রকল্পগুলির সঙ্গে তাদের কোনও সদস্য জড়িত নয়। যেসব নির্মাতা নিয়মকানুন মেনে আবাসন প্রকল্প করে না, তাদের সদস্যপদ দেয় না ক্রেডাই। কারণ এই ধরণের অসাধু ব্যবসায়ীরা বৈধ আবাসন খাতের সুনাম বিনষ্ট করে। ক্রেডাইয়ের পক্ষ থেকে ক্রেতাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে, তাঁরা যেন শুধু ক্রেডাইয়ের সদস্য ডেভেলপারদের দ্বারা বাস্তবায়িত ও ‘রেরা’ (RERA) নিবন্ধিত প্রকল্প থেকেই আবাসন ক্রয় করেন।
সোমবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ব্যাপারে ‘ক্রেডাই ওয়েস্টবেঙ্গল’ প্রেসিডেন্ট সুশীল মোহতা বলেন, ‘আবাসনের নিরাপত্তা ও বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়টি উন্নত করার লক্ষ্যে রাজ্য সরকারের প্রস্তাবিত আদর্শ কার্যপদ্ধতিকে আমরা স্বাগত জানাই। সরকার স্বল্প সময়ের মধ্যে ৫৯০টি প্রকল্পের প্রস্তাব পর্যালোচনা করে ২০৪টি অনুমোদন দিয়েছে। আরও ৮৯টির অনুমোদন অপেক্ষায় রয়েছে। বাকি প্রকল্পগুলির অনুমোদনও দ্রুত হয়ে যাবে। ২৭টি প্রকল্প নিয়ম না মানায় বাতিল করেছে। এই ২৭টি অবৈধ প্রকল্পর সঙ্গে ক্রেডাইয়ের কোনও সদস্য জড়িত নয়।’
রাজ্যে আবাসন প্রকল্পে সবথেকে বড় সমস্যা ছিল সিন্ডিকেট ও তোলাবাজি। এর প্রভাব পড়ছিল ক্রেতাদের ওপর। চড়া দামে ফ্ল্যাট কিনতে হচ্ছিল। নতুন সরকার আসার পর থেকে সিন্ডিকেট ব্যবসা ও তোলাবাজি বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন সরকারের পদক্ষেপে খুশি ক্রেডাই। এই ব্যাপারে সিদ্ধার্থ পানসারি বলেন, ‘গত ১৫ বছর ধরে সিন্ডিকেট সমস্যা প্রবলভাবে ছিল। সরকার পরিবর্তনের ৭ দিনের মধ্যে এই সিন্ডিকেট সমস্যার অবসান ঘটেছে। এরজন্য আমরা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.