গতবছর অনূর্ধ্ব ১১, ১৩, ১৫ বিভাগে জাতীয় চ্যাম্পিয়ন উপহার দিয়েছিল বাংলা। কিন্তু এবছর অনূর্ধ্ব ১৩ জাতীয় সাব–জুনিয়র র্যাঙ্কিং ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় বাংলার ভাঁড়ার শূন্য। বালক কিংবা বালিকা, দুই বিভাগেই একটা খেতাবও আসেনি বাংলার ঘরে। খেতাব জয় তো দূরের কথা, কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি বাংলার ছেলেমেয়েরা। দক্ষিণ ভারতের খেলোয়াড়দের জয়জয়কার।
বালিকা বিভাগে সিঙ্গলসে শিরোপা যেমন গেল তেলেঙ্গনার ঘরে, তেমনই বালক বিভাগে খেতাব নিয়ে হেল অন্ধ্রপ্রদেশ। বালিকা বিভাগে শুধু খেতাব দখলই নয়, রানার্সও তেলেঙ্গনার। ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল তেলেঙ্গনার দুই কন্যা লিয়োশা কোরুকোণ্ডা ও শানভি রেড্ডি নিম্মা। শানভিকে ১৫–১০, ১৫–১২ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন লিয়োশা। বালক বিভাগে উত্তরাখণ্ডের সার্থক যোশিকে ১৫–১২, ১৫–১০ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের রেহান দুদেকুলা।
ডাবলসে লোকেশ গুরজার ও রক্ষিত সিং জুটি'কে ১৬–১৪, ১৫–১২ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সার্থক যোশি ও রেহান দুদেকুলা জুটি। অন্যদিকে, বালিকাদের ডাবলসে লিয়োশা–শানভি জুটি মহারাষ্ট্রের হেজেল যোশি– দিভিশা সিং জুটিকে ১৬–১৪, ১৫–৬ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ফাইনালে হাজির ছিল বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সচিব জহর দাস ও আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত।
দেশের ২৮টি রাজ্য এবং ৫টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে মোট ৪৬৪ জন প্রতিযোগী এই জাতীয় র্যাঙ্কিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। মোট এন্ট্রি ছিল ৫৯৯। অংশগ্রহণকারী প্রতিযোগীদের মধ্যে ২৬১ জন বালক ও ২০৩ জন বালিকা। বাংলা থেকে অংশ নিয়েছিল ৯০ জন প্রতিযোগী। যার মধ্যে গত বছর অনূর্ধ্ব ১১ জাতীয় চ্যাম্পিয়নো ছিল। তবুও সাফল্য আসেনি। রাজ্য ব্যাডমিন্টন সংস্থার সচিব শেখর বিশ্বাস বলছিলেন, ‘গত বছর যারা অনূর্ধ্ব ১১ জাতীয় প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছিল, তারা এবছর অনূর্ধ্ব ১৩–তে নেমেছিল। ওদের বয়স কম। তাছাড়া এই প্রতিযোগিতার মতো টেম্পারামেন্ট এখনও তৈরি হয়নি। আশা করছি পরের বছর সাফল্য পাবে।’