টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতা ২০২৫–এর আন্তর্জাতিক ইভেন্ট অ্যাম্বাসাডর হলেন অলিম্পিকে দুবারের রুপো ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের সোনা ও রুপোজয়ী স্প্রিন্টার কেনি বেডনারেক। তাঁকে আন্তর্জাতিক অ্যাম্বাসাডর হিসেবে ঘোষণা করেছে টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতা–র আয়োজক প্রোক্যাম ইন্টারন্যাশনাল। বিশ্বের প্রথম বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স গোল্ড লেবেল ২৫কে, খেলাধুলার মাধ্যমে সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ করে চলেছে।
মাত্র ২৭ বছর বয়সেই ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডের জনপ্রিয় অ্যাথলিটদের মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছেন কেনি বেডনারেক। অ্যাথলেটিক্স মহলে যিনি কুং ফু কেনি নামে পরিচিত। ২০২০২ টোকিও এবং ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকে ২০০ মিটারে রুপো জিতেছেন বেডনারেক। এছাড়া সম্প্রতি টোকিওতে অনুষ্ঠিত ২০২৫ বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা ও রুপো জিতেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই স্প্রিন্টার। এই মুহূর্তে নিজেকে বিশ্বের সবচেয়ে ধারাবাহিক দৌড়বিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
উইসকনসিনে জন্মগ্রহণকারী বেডনারেকের প্রথম জীবন খুব একটা সহজ ছিল না। নানা প্রতিকূলতার মধ্যে শৈশব কাটিয়েছেন। কমিউনিটি কলেজের পথ থেকে বিশ্বব্যাপী মঞ্চে তাঁর যাত্রা সত্যিই সকলের কাছে অনুপ্রেরণামূলক। কলকাতা সফরের আগে কেনি বেডনারেক বলেন, ‘জীবন আমাকে শিখিয়েছে যে গন্তব্যের চেয়ে যাত্রা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি দৌড়, প্রতিটি পদক্ষেপ আপনাকে গড়ে তোলে। টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার ১০ম বর্ষের অংশ হতে পেরে আমি উত্তেজিত। খেলাধুলার প্রতি শহরের আবেগ এবং সম্প্রদায় ও স্বাস্থ্যের প্রতি দৌড়ের মনোযোগ সত্যিই আমার নিজের গল্পের সঙ্গে মিলে যায়। আমি কলকাতার উৎসাহী অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করার এবং তাদের ড্রাইভ উদযাপন করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’
আরও পড়ুনঃ ড্রোনের সাহায্যে পাকিস্তান থেকে ভারতে অস্ত্র পাচার, আইএসআই মদতপুষ্ট চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেফতার করল দিল্লি পুলিশ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করে কেনি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক সাফল্য অর্জন করেছেন। তাঁর ব্যক্তিগত দৌড়গুলির মধ্যে ইতিহাসের সেরাদের মধ্যে স্থান পেয়েছে, ১০০ মিটারে ৯.৭৯ সেকেন্ড (২০২৫), ২০০ মিটারে ১৯.৫৭ সেকেন্ড (২০২৪) এবং ৪০০ মিটারে ৪৪.৭৩ সেকেন্ড (২০১৯)।
কেনি বেডনারেককে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে ঘোষণা করে টাটা স্টিলের কর্পোরেট সার্ভিসেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিবি সুন্দর রামম বলেন, ‘আমরা যখন টাটা স্টিল ওয়ার্ল্ড ২৫কে কলকাতার ১০তম সংস্করণ উদযাপন করছি, তখন কেনি বেডনারেককে আমাদের অ্যাম্বাসাডর হিসেবে পাওয়াটা অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তাঁর যাত্রা স্থিতিস্থাপকতা, উদ্দেশ্য এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টা একজন ব্যক্তির ভাগ্য গঠন করতে পারে, এই বিশ্বাসকে মূর্ত করে তোলে।’