ট্রেন্ডিং

Bombay HC Fumes Malnutrition Deaths In Maharashtra

মহারাষ্ট্রের আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় অপুষ্টিতে শিশু, গর্ভবতী মহিলা ও স্তন্যদাত্রী মায়েদের মৃত্যু, ক্ষুব্ধ বোম্বে হাইকোর্ট

মহারাষ্ট্রে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অপুষ্টিজনিত কারণে একের পর এক শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদাত্রী মায়েদের মৃত্যু ঘটেই চলেছে। কয়েক দশক ধরে আদালতের এই ঘটনার ওপর হস্তক্ষেপ করেছে। তাসত্ত্বেও সমস্যাটি থেকেই গেছে। অব্যাহত সংকট নিয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বোম্বে হাইকোর্ট। বিচারপতি আর ভি ঘুগের নেতৃত্বাধীন এক বেঞ্চ এই ঘটনাকে ‘‌দুর্ভাগ্যজনক’‌ বলে অভিহিত করেছে।

বোম্বে হাইকোর্ট।

ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২৬
Share on:

মহারাষ্ট্রে আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই অপুষ্টিজনিত কারণে একের পর এক শিশু, গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যদাত্রী মায়েদের মৃত্যু ঘটেই চলেছে। কয়েক দশক ধরে আদালতের এই ঘটনার ওপর হস্তক্ষেপ করেছে। তাসত্ত্বেও সমস্যাটি থেকেই গেছে। অব্যাহত সংকট নিয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বোম্বে হাইকোর্ট। বিচারপতি আর ভি ঘুগের নেতৃত্বাধীন এক বেঞ্চ এই ঘটনাকে ‘‌দুর্ভাগ্যজনক’‌ বলে অভিহিত করেছে।

পূর্ব মহারাষ্ট্রের মেলঘাট অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টি, কর্মী সংকট, দুর্বল পরিকাঠামো এবং ক্রমবর্ধমান শিশু মৃত্যুর মতো বিষয়গুলই তুলে ধরে বেশ কয়েকজন সমাজকর্মী বোম্বে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন। সমাজকর্মীদের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানি করছিল বিচারপতি আর ভি ঘুগের নেতৃত্বাধীন এক বেঞ্চ। শুননির সময় বেঞ্চ বলেছে, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আবেদনগুলির শুনানি হয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সরকারের ব্যর্থতাকেই প্রতিফলিত করে।


আবেদনের শুনানির সময় বেঞ্চ বলে, ‘‌এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, এই আদালতকে শিশু, গর্ভবতী নারী ও স্তন্যদায়ী মায়েদের অপুষ্টি, ওষুধের অভাব এবং যথাযথ চিকিৎসা সহায়তার অভাবে ঘটা মৃত্যুর ব্যাপারে বক্তব্য শুনতে হয়।’‌ আবেদনকারীদের একজনের দাখিল করা যুক্তির সঙ্গে একমত হয়েছে আদালত। ওই আবেদনকারী বলেছিলেন, সরকার ‘লেড়কি বহিন যোজনা’–র মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করছে। অথচ আদিবাসী অঞ্চলের মানুষেরা মৌলিক পুষ্টি থেকেও বঞ্চিত। বেঞ্চ বলেছে, ‘‌যাদের খাবার প্রয়োজন তারা তা পাচ্ছে না, অথচ ঘরে বসে থাকা ও কাজ না করা কিছু লোক টাকা পাচ্ছে।’‌ 

আবেদনকারীদের দাখিল করা মেলঘাট অঞ্চলের শিশু ও যুবকদের ছবি পরীক্ষা করে বিচারক লক্ষ্য করেন যে, তাদের পাঁজরের হাড় বেরিয়ে এসেছে এবং তাদের দাঁড়ানোর মতো শক্তিও নেই। বাস্তবে পরিস্থিতির তেমন কোনও উন্নতি হয়নি বলে হাইকোর্ট জানিয়েছে। বেঞ্চ জানায়, ‘‌২০ বছর পর এই ধরনের মৃত্যু বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। অথচ তা হয়নি। এটা সরকারের ব্যর্থতা।’‌ আদালত দুই সপ্তাহ পর পরবর্তী শুনানির জন্য বিষয়টি মুলতবি করেছে।

আরও পড়ুনঃ

অন্যান্য খবর

Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.

Copyright © 2026 Inside Bangla News Portal . All Rights Reserved. Designed by Avquora