দুর্বল ত্রিপুরার কাছে ধাক্কা খাওয়ার পর রেলওয়েজের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়। বোনাসসহ ৭ পয়েন্ট আসায় আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গেছে বাংলা শিবিরের। আসামের বিরুদ্ধে সেই আত্মবিশ্বাসেরই প্রতিফলন। কল্যানীতে অনুষ্ঠিত রনজি ম্যাচের প্রথম দিনেই আসামকে কোনঠাসা করে দিয়েছে বাংলা। বাংলাকে চালকের আসনে বসিয়েছেন জোরে বোলাররা। প্রথম দিনের শেষে ১৯৪ রান তোলার ফাঁকে ৮ উইকেট হারিয়েছে আসাম।
ভারতীয় ‘এ’ দলের হয়ে ম্যাচ খেলে ফিরে এসেছেন অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। দলে যোগ দিয়েছেন আগের ম্যাচে না খেলা মহম্মদ সামিও। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন আদিত্য পুরকাইতের জায়গায় অভিমন্যু ঈশ্বরণ এবং সুমিত মোহান্তির জায়গায় মহম্মদ সামি। কল্যানীর ঘাসের উইকেটে টস জিতে আসামকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। মহম্মদ সামির সঙ্গে নতুন বল তুলে দেন সূরজ সিন্ধু জয়সওয়ালের হাতে।
সূরজের হাত ধরেই প্রথম সাফল্য আসে বাংলার। ৮ রানের মাথায় তুলে নেন রিষভ দাসকে (২)। এরপর প্রদ্যুন সাইকিয়াকে (৬৫ বলে ৩৮) ফেরান মহম্মদ কাইফ। এক ওভার পরেই ডেনিস দাসকেও (৩) তুলে নেন। এরপর কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন স্বরূপম পুরকায়স্থ (৬২) ও অধিনায়ক সুমিত ঘাদিগাঁওকর। স্বরূপমকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন প্রথম দুই স্পেলে উইকেটহীন থাকা মহম্মদ সামি।
স্বরূপম আউট হওয়ার পরপরি ধস নামে আসামের ইনিংসে। দ্রুত ৪ উইকেট হারায়। পরপর ফিরে যান শিবশঙ্কর রায় (৯), ঋতুরাজ বিশ্বাস (০), আকাশ সেনগুপ্ত (৬), আব্দুল আজিজ কুরেশি (১১)। একপ্রান্তে পরপর উইকেট পড়লেও অন্যপ্রান্ত আগলে পড়ে থাকেন অধিনায়ক সুমিত। দিনের শেষে সুমিত ৪৮ ও মুক্তার হোসেন ৮ রানে অপরাজিত আছেন।
সূরজ সিন্ধু জয়সওয়াল ১৮ ওভারে ৭ মেডেনসহ ২০ রান দিয়ে ৩টি উইকেট তুলে নিয়েছেন।
মহম্মদ সামি ২২ ওভার বল করে চারটি মেডেনসহ ৬২ রানে ২টি উইকেট। মহম্মদ কাইফ ৩০ রানে ২টি ও ঈশান পোড়েল ৩৯ রানে ১টি উইকেট পেয়েছেন।