ট্রেন্ডিং

WB government decision of cow and buffalo slaughter

সরকারের গরু–মোষ জবাইয়ের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় খাদ্য সংকটে চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কের প্রাণীরাও

পশু জবাই নিয়ে রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সমস্যায় প্রাণীরাও। খাবারে টান পড়েছে প্রাণীদের খাবারেও। আলিপুর চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কে বাঘ, সিংহ, চিতাবাঘ, জাগুয়ারের মতো মাংসাশী প্রাণীরা পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছে না অভিযোগ উঠেছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে গরু ও মোষের মাংস না মেলায় উদ্বেগে আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের বেঙ্গল সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।

চিড়িয়াখানায় পশুদের খাদ্যসংকট।

ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬
Share on:

পশু জবাই নিয়ে রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক নির্দেশিকায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সমস্যায় প্রাণীরাও। খাবারে টান পড়েছে প্রাণীদের খাবারেও। আলিপুর চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কে বাঘ, সিংহ, চিতাবাঘ, জাগুয়ারের মতো মাংসাশী প্রাণীরা পর্যাপ্ত খাবার পাচ্ছে না অভিযোগ উঠেছে। পর্যাপ্ত পরিমাণে গরু ও মোষের মাংস না মেলায় উদ্বেগে আলিপুর চিড়িয়াখানা থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের বেঙ্গল সাফারি পার্ক কর্তৃপক্ষ।

সম্প্রতি রাজ্য সরকার নির্দেশিকা জারি করেছে, পশ্চিমবঙ্গ পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৫০ অনুযায়ী নির্দিষ্ট শংসাপত্র ছাড়া গরু ও মোষ জবাই করা যাবে না। গরু কিংবা মোষের বয়স ১৪ বছরের বেশি হতে হবে অথবা অসুস্থ ও কর্মক্ষমতাহীন হলে তবেই জবাই করা যাবে। অনুমোদিত কসাইখানাতেই জবাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে । আর এই নিয়ম কার্যকর হতেই বাজারে গরু ও মোষের মাংসের জোগানে টান পড়েছে। 


রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার পরপরই গোটা রাজ্যে গরু ও মোষের মাংসের দাম প্রায় ১৫০–২০০ টাকা বেড়েছে। অনেক জায়গায় গরু ও মোষের মাংস পাওয়াও যাচ্ছে না। একদিকে যেমন সমস্যায় মানুষ, তেমনই প্রভাব পড়ছে রাজ্যের চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম পর্যটন কেন্দ্র বেঙ্গল সাফারি পার্ক এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। সাফারি পার্ক সূত্রে জানা গিয়েছে, সেখানে ১১টি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, ৩টি চিতাবাঘ, কুমির, ঘড়িয়ালসহ প্রায় ২৫টির বেশি মাংসাশী প্রাণী রয়েছে। এদের জন্য প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৬০০ কেজি গরু ও মোষের মাংস প্রয়োজন হয়। একটা পূর্ণবয়স্ক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকে দৈনিক ১০ থেকে ১২ কেজি এবং চিতাবাঘকে প্রায় ১০ কেজি মাংস খাওয়ানো হয়। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সেখানে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। 

আলিপুর চিড়িয়াখানাতেও প্রতিটা বাঘ, সিংহ ও জাগুয়ারকে জন্য প্রতিদিন ১০ থেকে ১০ কেজি করে গরু ও মোষের মাংস দেওয়া হয়। দিনে প্রায় ২০০ কেজি কেজি মাংস লাগে। আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন পশুপ্রেমীরা। ‘‌সলিটরি নেচার অ্যান্ড অ্যানিম্যাল প্রোটেকশন’‌–এর সম্পাদক কৌস্তভ চৌধুরী সংবাদমাধ্যেমকে বলেন,‘‌বাঘ বা চিতাবাঘের মতো প্রাণীদের শারীরিক শক্তি ও স্বাভাবিক প্রবৃত্তির জন্য গরু কিংবো মোষের মাংস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা তো জঙ্গলে নেই যে নিজেরা শিকার করবে। তাই সরকারকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।’

আরও পড়ুনঃ

অন্যান্য খবর

Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.

Copyright © 2026 Inside Bangla News Portal . All Rights Reserved. Designed by Avquora