বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনে অভিযুক্ত হওয়ায় ৪ জন চিকিৎসক, ডাঃ মুজাফফর আহমেদ, ডাঃ আদিল আহমেদ রাথের, ডাঃ মুজাম্মিল শাকিল এবং ডাঃ শাহিন সাইদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করল জাতীয় মেডিকেল কমিশন। শুক্রবারই এই চারজনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার কথা ঘোষণা করে হয়েছে। প্রত্যেকেই দিল্লি বিস্ফোরণ মামলার সঙ্গে যুক্ত। রেজিস্ট্রেশন বাতিল হওয়ায় পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই চার ডাক্তার দেশের কোথাও চিকিৎসা করতে পারবেন না।
১০ নভেম্বর হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। ওইদিন সন্ধেয় লাল কেল্লার কাছে শক্তিশালী গাড়ি বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত হন। এই বিস্ফোরণের তদন্তের পর ৪ ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। জাতীয় মেডিকেল কমিশন তাদের পাবলিক নোটিশে এফআইআর–এ উল্লেখিত অভিযোগগুলি উল্লেখ করে বলেছে যে, জম্মু ও কাশ্মীর মেডিকেল কাউন্সিলে নিবন্ধিত ডাঃ মুজাফফর আহমেদ, ডাঃ আদিল আহমেদ রাথের এবং ডাঃ মুজাম্মিল শাকিলকে তদন্তকারী সংস্থাগুলির দ্বারা সংগৃহীত প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িত বলে প্রমাণিত হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সন্ত্রাসীদের মজুত করা বিস্ফোরকে ধ্বংস শ্রীনগরের নওগাম পুলিশ স্টেশন, মৃত ৯, আহত ২৫, অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক
কমিশন উল্লেখ করেছে যে, অভিযুক্তদের আচরণ প্রাথমিকভাবে ভারতীয় মেডিকেল কাউন্সিলের নিয়ম অনুসারে প্রত্যাশিত নৈতিক শালীনতা, সততা এবং জনসাধারণের আস্থার মানদণ্ডের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। তাই তাঁদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হল। জম্মু ও কাশ্মীর মেডিকেল কাউন্সিল আগেই ডাঃ মুজাফফর আহমেদ, ডাঃ আদিল আহমেদ রাথের, ডাঃ মুজাম্মিল শাকিল এবং ডাঃ শাহিন সাইদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করেছে।
জাতীয় মেডিকেল কমিশনের নির্দেশে বলা হয়েছে, ওই ৪ ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন বাতিলের ফলে তাঁরা দেশের কোথাও চিকিৎসা করতে পারবেন না। কমিশন পরবর্তীকালে তাঁদের নাম ভারতীয় মেডিকেল রেজিস্টার এবং জাতীয় মেডিকেল রেজিস্টার থেকে অবিলম্বে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আদিল আমহমেদ, মুজাম্মিল শাকিল, শাহিন সাইদকে পুলিশ গ্রেউতার করলেও ডাঃ মুজাফফর আমেদ এখনও বেপাত্তা। তাঁকে পুলিশ খুঁজছে। কাজিগুন্ডের বাসিন্দা মুজাফফর আগস্ট মাসে ভারত ছেড়েছিলেন। এই মুহূর্তে তিনি আফগানিস্তানে রয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।