ট্রেন্ডিং

Lashkar terrorist arrested near Delhi

‌বাংলাদেশ থেকে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে দিল্লি সীমান্ত থেকে গ্রেফতার লস্কর জঙ্গি

বাংলাদেশ থেকে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে দিল্লি সীমান্ত থেকে গ্রেফতার লস্কর–ই–তৈবার (এলইটি) এক সদস্য। অভিযুক্ত সাব্বির আহমেদ লোন ওরফে রাজা জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। তিনি কাশ্মীরি নামেও পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার অভিযোগ ছিল। দীর্ঘদিন নজরে রাখার পর কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সাহায্যে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তাঁকে গ্রেফতার করে।

ইনসাইড বাংলাঅভিযুক্ত সাব্বির আহমেদ লোন জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। ওয়েব ডেস্ক

ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬
Share on:

বাংলাদেশ থেকে ভারতে হামলার ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে দিল্লি সীমান্ত থেকে গ্রেফতার লস্কর–ই–তৈবার (এলইটি) এক সদস্য। অভিযুক্ত সাব্বির আহমেদ লোন ওরফে রাজা জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। তিনি কাশ্মীরি নামেও পরিচিত। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার অভিযোগ ছিল। দীর্ঘদিন নজরে রাখার পর কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির সাহায্যে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তাঁকে গ্রেফতার করে।

সাব্বির আহমেদ লোন দীর্ঘদিন বাংলাদেশে ছিলেন এবং সেখান থেকে তিনি পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই•এর নির্দেশে লস্করের ভারত–বিরোধী কার্যকলাপ পরিচালনা করতেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ গোপন করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারীসহ বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়োগ করতেন।

দিল্লি এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে সক্রিয় লস্কর এক মডিউলকে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো ভেঙে দেওয়ার কয়েকদিন পরই লোনকে গ্রেফতার করা হলো। লস্করের যে মডিউল ভেঙে দেওয়া হয়েছে, সেই মডিউল দিল্লি ও কলকাতার বিভিন্ন স্থানে ভারত–বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। এর থেকে বোঝা যায় তারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপের পাশাপাশি প্রচারণাও চালানোর চেষ্টা করছিল।


পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন, সাব্বির আহমেদ লোন লস্কর–ই–তৈবার একজন প্রশিক্ষিত জঙ্গি। তিনি মুজাফফারাবাদের একটা সন্ত্রাসী ক্যাম্পে দৌরা–ই–আম (প্রাথমিক) ও দৌরা–ই–খাস (উন্নত) উভয় ধরনের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। প্রায় দু’‌দশক থেকে সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক রয়েছে। ২০০৭ সালে স্পেশাল সেলের হাতে প্রথমবার গ্রেফতার হয়েছিলেন লোন। তাঁর কাছ থেকে একটা একে–৪৭ রাইফেল ও গ্রেনেডসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছিল। সেই সময় কর্তারা জামাত-–উদ–দাওয়া প্রধান এবং ২৬/১১ মুম্বাই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হাফিজ সাঈদ ও লস্কর কমান্ডার জাকি–উর–রহমান লাখভির সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছিলেন।

জামিন পাওয়ার আগে লোন ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহার জেলে বন্দি ছিলেন। পরে তিনি বাংলাদেশে চলে যান, সেখানেতিনি লস্কর নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন করেন এবং ভারতকে লক্ষ্য করে পরিচালিত অভিযানগুলোর সমন্বয় অব্যাহত রাখেন। তাঁর ভূমিকা একটা আন্তঃসীমান্ত কমান্ড কাঠামোর প্রতিফলন ঘটায়, যেখানে পাকিস্তানে তাঁর নিয়ন্ত্রক এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত কর্মীরা রয়েছে। লোনের নেটওয়ার্কের পূর্ণাঙ্গ পরিধি, যার মধ্যে ভারতে নিয়োগের মাধ্যম, অর্থায়নের উৎস এবং সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত, তা চিহ্নিত করতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন পুলিশ কর্তারা।

আরও পড়ুনঃ

অন্যান্য খবর

Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.

Copyright © 2026 Inside Bangla News Portal . All Rights Reserved. Designed by Avquora