প্রকাশিত হল এবছর মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল। এবারও শহরকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত জেলার। ৯৯.৭১% পেয়ে প্রথম স্থান পেয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের সারদা বিদ্যামন্দিরের অভিরূপ ভদ্র। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৮। দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বীরভূমের সরোজিনীদেবী শিশুমন্দিরের প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৬। পাশের হারের দিক থেকে শীর্ষে কালিম্পং। দক্ষিণকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত উত্তরের।
পরীক্ষার ৯০ দিনের মাথায় ফল ঘোষণা করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২ ফেব্রুয়ারি। শেষ হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ৯ লক্ষ। পাশের হার শতাংশ। প্রথম দশে রয়েছে ১৩১ জন পরীক্ষার্থী। এদিন পর্ষদের অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়। এবছর পাশের হার ৮৬.৮৩%। এবছর মাধ্যমিকে পাশের হারে শীর্ষে কালিম্পং জেলা ( ৯৫.১০ শতাংশ)। তার পর রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৪.৮২ শতাংশ)। তৃতীয় স্থান পেয়েছে কলকাতা।
প্রথম স্থানে রয়েছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের সারদাবিদ্যামন্দিরের অভিরূপ ভদ্র (৬৯৮)। এরপর মেধা তালিকায় রয়েছে,
দ্বিতীয় স্থান: প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়, সরোজিনীদেবী শিশুমন্দির, বীরভূম, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯৬
তৃতীয় স্থান: সৌর জানা, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯৫
চতুর্থ স্থান: সৌর জানা, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯৫
চতুর্থ স্থান: অরিজিৎ বর, ছত্রী বিবেকানন্দ বিদ্যাভবন, পূর্ব মেদিনীপুর, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯৪
পঞ্চম স্থান: দ্বৈপায়ন বিশ্বাস, বাদকুল্লা ইউনাইটেড অ্যাকাডেমি নদীয়া, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯৩
ষষ্ঠ স্থান: আদৃত গোস্বামী, রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন, উত্তর ২৪ পরগনা, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯২
সপ্তম স্থান: স্বর্ণাভ সর্দার, নবদ্বীপ বকুলতলা হাই স্কুল, নদীয়া, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯১
অষ্টম স্থান: প্রজ্ঞা সাহা, রঘুনাথগঞ্জ রানিভবানী বিদ্যানিকেতন, মুর্শিদাবাদ, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯০
নবম স্থান: শাহরিন সুলতান, মডেল হাইস্কুল, মুর্শিদাবাদ, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৮৯
দশম স্থান: কস্তুরী সিংহ, লাধুরাম তোষ্ণিওয়াল বিদ্যামন্দির, মুর্শিদাবাদ, প্রাপ্ত নম্বর: ৬৮৮
সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে অনলাইনে ফলাফল দেখতে পারবে পরীক্ষার্থীরা। পর্ষদের নির্দেশ অনুযায়ী, ফলাফল দেখা যাবে দুটি সরকারি ওয়েবসাইটে। www.wbbsedata.com অথবা www.wbbse.wb.gov.in এই ওয়েবসাইটে ঢুকে ‘Result’ অপশনে গিয়ে রোল নম্বর, জন্মতারিখ ও প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে স্ক্রিনেই দেখা যাবে নম্বর। সঙ্গে থাকবে প্রিন্ট করার সুবিধা, ফলে প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে নিজের স্কোরকার্ড ডাউনলোড করতে পারবে পড়ুয়ারা। ফল প্রকাশের পাশাপাশি এদিন সকাল ১০টা থেকে ক্যাম্প অফিসগুলিতে মার্কশিট বিতরণও শুরু হয়েছে। স্কুলের আধিকারিকরা মার্কশিট সংগ্রহ করার পর সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় থেকে পড়ুয়ারা নিজেদের রেজাল্ট হাতে পাবে।