ডুরান্ড কাপে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচ, তৈরি মহমেডানের তরুণ ব্রিগেড
প্রথম ম্যাচে ইন্টার কাশীর সঙ্গে ড্র। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক আউটের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি দুটি ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই। এই অবস্থায় মঙ্গলবার মহমেডানের সামনে প্রতিপক্ষ বেঙ্গালুরু এফসি।
বেঙ্গালুরু ম্যাচের প্রস্তুতিতে মগ্ন মহমেডান
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ০৫, ২০২৪
Share on:
ডুরান্ড কাপের নক আউটে কি খেলার ছাড়পত্র জোগাড় করতে পারবে মহমেডান স্পোর্টিং? কাজটা কিন্তু খুবই কঠিন সাদাকালো ব্রিগেডের সামনে। কাজটা আরও কঠিন হয়ে গেছে প্রথম ম্যাচে ইন্টার কাশীর সঙ্গে ড্র করে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নক আউটের ছাড়পত্র পেতে গেলে বাকি দুটি ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই। এই অবস্থায় মঙ্গলবার সামনে প্রতিপক্ষ বেঙ্গালুরু এফসি।
প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে ইতিমধ্যেই ৬ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে বেঙ্গালুরু। আর ইন্টার কাশীর সঙ্গে ড্র করে মহমেডানের ১ ম্যাচে ১ পয়েন্ট। আগের ম্যাচে কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুরন্ত ফুটবল খেলে বিদেশিসমৃদ্ধ অভিজ্ঞ ইন্টার কাশীকে আটকে দিয়েছিল মহমেডানের তরুণ ব্রিগেড। ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে তন্ময় ঘোষ, এডিসন সিং, ইসরাফিল দেওয়ানরা যে ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন, তা ধরে রাখতে পারলে বেঙ্গালুরুকে যথেষ্ট বেগ দেওয়া যাবে। সেই আসায় তাকিয়ে মহমেডান কোচ হাকিম সেনজেন্ডো।
যদিও সাদাকালো ব্রিগেডের কাছে কাজটা মোটেই সহজ হবে না। বেঙ্গালুরু এফসি যথেষ্ট অভিজ্ঞ দল। দলে দারুণ গভীরতা রয়েছে। ভারতীয় নৌ বাহিনী ও ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা তৈরি হয়েই এসেছে। মহমেডানকেও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। ডুরান্ডে ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে ম্যাচের পর কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে একটা ম্যাচ খেলেছে মহমেডান। অভিজ্ঞতাসমৃদ্ধ শক্তিশালী ডায়মন্ডহারবার এফসি–কে শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি গোলে আটকে দিয়েছিল।
ডায়মন্ডহারবারের বিরুদ্ধে চোটের জন্য তন্ময় ঘোষ খেলতে পারেননি। তাঁর না থাকাটা পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল। কোচ সেনজেন্ডোর আশা, বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে মাঝমাঠের সেরা স্তম্ভকে পাবেন। বেঙ্গালুরুকে চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য তাঁর দল তৈরি বলেও জানিয়েছেন সাদাকালো কোচ।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.