ক্রমশ ছন্দে ফিরেছে সবুজমেরুন ব্রিগেড। আগের ম্যাচে টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে জিতেছিল ৫–১ ব্যবধানে। সোমবার ইস্টার্ন রেলকে উড়িয়ে দিল ৫–০ ব্যবধানে। টালিগঞ্জের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেছিলেন সুহেল ভাট। রেলের বিরুদ্ধে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন সালাউদ্দিন।
জয়ের পর সালাউদ্দিনদের উচ্ছ্বাস
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: আগস্ট ০৫, ২০২৪
Share on:
কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে শুরুর দিকে তেমন ছন্দে ছিল না মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ডার্বিতে ইস্টবেঙ্গলের কাছেও হারতে হয়েছিল। লিগ যত এগিয়েছে, ক্রমশ ছন্দে ফিরেছে সবুজমেরুন ব্রিগেড। আগের ম্যাচে টালিগঞ্জ অগ্রগামীর বিরুদ্ধে জিতেছিল ৫–১ ব্যবধানে। সোমবার ইস্টার্ন রেলকে উড়িয়ে দিল ৫–০ ব্যবধানে। টালিগঞ্জের বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করেছিলেন সুহেল ভাট। রেলের বিরুদ্ধে সুহেল ছিলেন না। দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন সালাউদ্দিন। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে মোহনবাগানের পরের রাউন্ডের আশা বাঁচিয়ে রাখলেন। ৭ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট বাগানের।
প্রথম তিনের মধ্যে থাকতে গেলে সোমবার ইস্টার্ন রেলের বিরুদ্ধে জেতাটা জরুরি ছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসের কাছে। যদিও প্রথম মিনিটেই মোহনবাগানের গোলে হানা দিয়েছিল ইস্টার্ন রেল। গোলকিপার রাজা বর্মনের দক্ষতায় সে যাত্রায় বেঁচে যায় সবুজমেরুন। শুরুর ধাক্কা সামলে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে মোহনবাগান। ৩ মিনিটে ইংসন সিংয়ের শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান ইস্টার্ন রেল গোলকিপার জয়ন্ত পাল। ২ মিনিট পর টাইসন সিংয়ের ইনসুইং শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
৭ মিনিটে প্রতিআক্রমণে গোলের সুযোগ এসে গিয়েছিল ইস্টার্ন রেলের সামনে। মোহনবাগান রক্ষণের ভুলে বক্সের মধ্যে বল পেয়ে গিয়েছিলেন নাসিরুদ্দিন মোল্লা। তাঁর শট আটকে দেন বাগান গোলকিপার রাজা বর্মণ। ১১ মিনিটে আবার অপ্রতিরোধ হয়ে ওঠেন ইস্টার্ন রেল গোলকিপার জয়ন্ত পাল। সেরটোর শট কোনও রকমে বাঁচান। ২৫ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত মোহনবাগান। সালাউদ্দিনের শট বারে লেগে ফিরে আসে। মিনিট চারেক পরেই দিনের সহজতম সুযোগ নষ্ট করেন সেরটো। ডানদিক থেকে ভেসে আসা রবি বাহাদুর রানার সেন্টার ৬ গজ বক্সের মাথায় পেয়েও বাইরে হেড করেন সেরটো।
গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি মোহনবাগানকে। অবশেষে ৩২ মিনিটে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। টাইসন সিংয়ের সেন্টার ফারদিন আলি মোল্লার শট রেল গোলকিপার জয়ন্তর পায়ে লেগে ফিরে আসে। জটলার মধ্যে আবার বল পেয়ে যান ফারদিন। এবার তিন কাঠিতে বল রাখতে ভুল করেননি। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আক্রমণের চাপ বজায় রাখলেও গোল সংখ্যা আর বাড়াতে পারেনি মোহনবাগান।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল ইস্টার্ন রেলের সামনে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। বিক্ষিপ্ত লগ্নে রেল ফুটবলাররা প্রতিআক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু আমনদীপ, রাজ বাসফোররা সজাগ থাকায় সুবিধা করতে পারেনি। ৬৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান সালাউদ্দিন। ডানদিক থেকে দারুণ সেন্টার করেছিলেন বিয়ান। ঠান্ডা মাথায় বাঁপায়ের ড্রপ ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সালাউদ্দিন। ৮০ মিনিটে টাইসন সিংকে বক্সের মধ্যে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় মোহনবাগান। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান রাজ বাসফোর। ২ মিনিট পরেই ডানদিক থেকে বল নিয়ে বক্সে ঢুকে বাঁপায়ের শটে ৪–০ করেন সালাউদ্দিন। ম্যাচের ইনজুরি সময়ের শেষ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.