শেষ তিন ম্যাচে দুটি ড্র ও একটা হার। খেতাবি লড়াইয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিল সার্জিও লোবেরোর দল। রবিবার পাঞ্জাব এফসি–র বিরুদ্ধে না জিতলে আরও পিছিয়ে পড়তে হত। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে দু’দুবার পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে নাটকীয় জয় তুলে নিল মোহনবাগান। যদিও ঘরের মাঠে যথেষ্ট বেগ পেতে হল সবুজ–মেরুণ ব্রিগেডকে। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে গোল করে দলকে ৩–২ ব্যবধানে জেতালেন জেসন কামিন্স।
সমতা ফেরানোর পর সাহালের উচ্ছ্বাস। সঙ্গে লিস্টন কোলাসো।
ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৩, ২০২৬
Share on:
পাঞ্জাব এফসি–র বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে যথেষ্ট চাপে ছিল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। শেষ তিন ম্যাচে দুটি ড্র ও একটা হার। খেতাবি লড়াইয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিল সার্জিও লোবেরোর দল। রবিবার পাঞ্জাব এফসি–র বিরুদ্ধে না জিতলে আরও পিছিয়ে পড়তে হত। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে দু’দুবার পিছিয়ে পড়েও শেষ মুহূর্তে নাটকীয় জয় তুলে নিল মোহনবাগান। যদিও ঘরের মাঠে যথেষ্ট বেগ পেতে হল সবুজ–মেরুণ ব্রিগেডকে। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে গোল করে দলকে ৩–২ ব্যবধানে জেতালেন জেসন কামিন্স।
ঘরের মাঠে এদিন পাঞ্জাব এফসি–র বিরুদ্ধে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেনি মোহনবাগান। আগের তিন ম্যাচের মতোই ছন্দহীন। যদিও ম্যাচের প্রথম সুযোগটা এসেছিল মোহনবাগানের সানেই। ম্যাচ শুরুর তিন মিনিটেই জেমি ম্যাকলারেনের প্রয়াস কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান পাঞ্জাব গোলকিপার। ৮ মিনিটে গোলের সুযোগ এসেছিল পাঞ্জাবের সামনেও। বেদে ওসুজির দূরপাল্লার শট কোনওরকমে আটকান বিশাল কাইথ। গোলের জন্য যদিও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি পাঞ্জাবকে। ১২ মিনিটেই গোল তুলে নেয়। বাঁদিক আক্রমণ থেকে বল পেয়ে মোহনবাগান ডিফেন্সের ভুলে গোলের সামনে বল পেয়ে যান ড্যানি রামিরেজ। প্রায় ফাঁকা গোলে বল ঠেলে দিতে কোনও ভুল করেননি।
পিছিয়ে পড়ার মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই বড় ধাক্কা মোহনবাগানের। ১৭ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন ডিফেন্ডার আলবার্তো রডরিগেজ। তাঁর জায়গায় দিমিত্রি পেত্রাতোসকে নামান। অন্যদিকে, মাঝমাঠ থেকে মনবীর সিংকে তুলে মেহতাব সিংকে নামিয়ে নতুন করে দল সাজান লোবেরো। ২৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল। লিস্টন কোলাসোর শট পোস্টে লেগে বাইরে যায়। এর ঠিক ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরান ম্যাকলারেন। বাঁদিক থেকে শুভাশিস বোসের পাস ধরে রবসনের ছোট্ট টোকায় বক্সের মধ্যে বল পেয়ে গিয়েছিলেন। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে ঘাড়ে নিয়েই হাফ টার্নে গোলকিপার অর্শদীপ সিংয়ের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়ান ম্যাকলারেন। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফলাফল থাকে ১–১।
দ্বিতীয়ার্ধ চূড়ান্ত নাটক। ৬০ মিনিটে দুরন্ত ভলিতে গোল করে পাঞ্জাবকে এগিয়ে দেন এফিয়ং। ৬৯ মিনিটে স্ট্র্যাটেজিতে বদল করেন লোবেরা। রবসনকে তুলে মাঠে নামান জেসন কামিন্সকে। একই সঙ্গে নামান আবদুল সামাদকেও। সমতা ফেরানোর জন্য তখন মরিয়া মোহনবাগান। ফল মেলে ৭৪ মিনিটে। বদলি হিসাবে নামা সামাদ ডান পায়ের নিখুঁত শটে বিশ্বমানের গোল করে সমতা ফেরান। ৭৯ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত পাঞ্জাব। মোহনবাগানকে বাঁচায় বিশাল কাইথের বিশ্বস্ত হাত। এরপর ইনজুর সময়ে আসল নাটক। পাঞ্জাব বক্সের ডান দিকে ফ্রিকিক পায় মোহনবাগান। কামিন্সের শট সরাসরি জালে। স্বস্তি মোহনবাগান কোচ ও সমর্থকদের।
একদিন আগেই মোহনবাগানকে টপকে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছিল ইস্টবেঙ্গল। এবার পাঞ্জাব এফসি–র বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস জয়ে লিগ টেবিলে দুই নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান। ৮ ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে আবার খেতাবি লড়াইয়ে এগিয়ে গেল সবুজ–মেরুন। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে মুম্বই সিটি এফসি।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.