রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল বিশ্ব বাংলার লোগো। এবার বদলে যাচ্ছে রঙও। এতদিন যুবভারতীর রঙ ছিল নীল–সাদা। এবার নীল–সাদা রঙের জায়গা নিচ্ছে গেরুয়া। যদিও রঙ বদল নিয়ে কোনও হেলদোল নেই ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবের। তাঁর মাথায় একটা চিন্তায় ঘুরপাক খাচ্ছে, কীভাবে ব্রাজিল–ভারত ম্যাচ ভালভাবে উতরে দিতে পারেন। কীভাবে সুষ্ঠভাবে টিকিট বন্টন সম্পন্ন হয়।
বুধবার আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মহামেডান স্পোর্টিং কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন কল্যাণ চৌবে। বৈঠকে ঠিক হয়েছে, আইএফএ–র মাধ্যমে ব্রাজিল ম্যাচের টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। আইএফএ অনুমোদিত ক্লাবগুলিকে আইএফএ–র কাছ থেকে টিকিট কিনতে হবে। কোন ক্লাবের কত টিকিট প্রয়োজন, সেটা আগেই আইএফএ–কে জানাতে হবে। কলকাতার তিন প্রধানের সদস্য–সমর্থকদের জন্য টিকিটে বিশেষ ছাড় দেবে ফেডারেশন। যুবভারতীর দুই গোলপোস্টের পেছনে বি ২ এবং ডি ২ ব্লকের টিকিটে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে। এই দুই ব্লক মিলিয়ে ১৪ হাজার টিকিট বাজারে ছাড়া হবে। টিকিট সংগ্রহ করা যাবে মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহমেডান ক্লাব থেকেও।
শুধু আইএফএ অনুমোদিত ক্লাবগুলিই নয়, ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত সবাই আইএফএ–র মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবে। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতের বিভিন্ন ক্লাব, প্রাক্তন ফুটবলার, কোচ এবং রেফারিরাও। ব্রাজিল ম্যাচের উন্মাদনা ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন জেলায় ফ্যান পার্ক তৈরি করা হবে। সেই ফ্যান পার্কে জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলা দেখানোর ব্যবস্থা করা হবে। ডুরান্ড কাপের ডার্বির মতো ব্রাজিল ম্যাচেও ডিজিটাল টিকিটের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে।
এদিকে, যুবভারতীর মাঠ নিয়ে সন্তুষ্ট ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল। ব্রাজিলের একটা প্রতিনিধি দল এই মুহূর্তে কলকাতায় রয়েছে। তাঁদের পরামর্শেই মাঠ ব্রাজিলের খেলার উপযুক্ত করে তোলা হচ্ছে। যুবভারতীর দুটো প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডও একইভাবে তৈরি হচ্ছে। ফেডারেশন সভাপতি কল্যাণ চৌবে বলেন, ‘মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল খুশি। ম্যাচ ঘোষণার পর ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা কলকাতায় আসেন। কয়েকজন এখনও রয়েছেন। তাঁদের অধীনে মাঠ তৈরি হচ্ছে। মাঠ আরও উন্নত হবে।’