সোনারপুরের মাইন্ড গেম চেস অ্যাকাডেমি, দাবাড়ু দাবা অ্যাকাডেমি এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলা দাবা সংস্থার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল সর্বভারতীয় ফিডে রেটিং ক্ল্যাসিক্যাল দাবা প্রতিযোগিতা। সহযোগিতায় ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন ক্লাব। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কৌস্তুভ কুণ্ডু, রানার্স সৌমিক বন্দ্যোপাধ্যায়। ষাটোর্ধ্ব বিভাগে চ্যাম্পিয়ন স্বপন মিত্র, রানার্স হয়েছেন কুণাল চ্যাটার্জি।
২৬ ডিসেম্বর ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন ক্লাবে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল। শেষ হয় ৩০ ডিসেম্বর। ৫ দিন ধরে চলা এই সর্বভারতীয় ফিডে রেটিং ক্ল্যাসিক্যাল দাবা প্রতিযোগিতায় মোট ৪৯৩ জন প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিলেন। এদের মধ্যে পুরুষ ৪৩৫ জন এবং মহিলা ৫৮ জন। দেশের ৫টি ফেডারেশেনের প্রতিযোগীরা ছাড়াও বিদেশ থেকেও প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছিলেন। ভারতের ১৫টি রাজ্য থেকে দাবাড়ুরা খেলতে এসেছিলেন। এছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন ও কানাডা থেকেও প্রতিযোগীরা অংশ নিয়েছিলেন। রাজ্যের ১৮টি জেলা থেকে প্রতিযোগীরা খেলেছেন। অনূর্ধ্ব ১৬ বিভাগে প্রায় ৩০০ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়।
প্রতিযোগিতার মোট পুরস্কার মূল্য ছিল ৬ লক্ষ টাকা। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিভাগে ১০০ জনেরও দাবাড়ুকে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়। ওপেন বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য ট্রফি ছাড়াও নগদ ৭৫ হাজার টাকা পেয়েছেন কৌস্তুভ কুণ্ডু। রানার্স হয়ে ট্রফি ছাড়াও ৫০ হাজার টাকা পেয়েছেন সৌমিক বন্দ্যোপাধ্যায়।
২৬ ডিসেম্বর প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেছিলেন কলকাতা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ডঃ স্নেহাশিস সুর এবং ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন ক্লাবের ক্রীড়া বিভাগের অন্যতম কর্মকর্তা শ্রীরঞ্জন সিনহা। পুরস্কার বিতরণীতে হাজির ছিলেন রাজ্য দাবা সংস্থার সভাপতি গ্র্যান্ডমাষ্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়া, বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি চন্দন রায় চৌধুরি, বেনফিসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শ্রীমতি শর্মিষ্ঠা দাস, ইস্টার্ণ মেট্রোপলিটন ক্লাবের সম্পাদক সঞ্জীব ঘোষ, মাইন্ডগেম চেস অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে ডঃ জয়ন্ত সরকার, অনির্বান মুখার্জি, মধুরিমা সেনগুপ্ত। এছাড়াও ছিলেন শ্রীরঞ্জন সিনহা, দেবাশিস বড়ুয়া, অসিত বরণ চৌধুরি প্রমুখ।