সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য কুস্তি সংস্থার সচিব শোভন চক্রবর্তী, সহ–সচিব নন্দন দেবনাথ, জাতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সহ–সভাপতি অসিত সাহা।
একসময় বাংলাতে দারুণ জনপ্রিয়তা ছিল কুস্তি। বাংলা থেকে অনেক কুস্তিগীর অলিম্পিকেও অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নির্মল বোস, কেপি রাই, নিরঞ্জন দাস, তারকেশ্বর পাণ্ডে, সুধীর সাহারা। পরবর্তীকালে ধীরে ধীরে বাংলায় জনপ্রিয়তা হারিয়েছে কুস্তি। অনেক আখড়া বিলুপ্ত হয়েছে। বাংলার কুস্তির পুরনো গৌরব ফিরিয়ে আনার জন্য উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য কুস্তি সংস্থা। কুস্তিকে আরও জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে আয়োজন করছে ‘কিডস রেসলিং চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬।’
৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার জোড়াবাগান পঞ্চানন ব্যায়াম সমিতিতে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রতিযোগিতা। রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে ৭ থেকে ১২ বছর বয়সীরা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। প্রতিযোগিতা শুরু হবে সকাল ১১টা থেকে। চলবে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত। প্রতিযোগিতায় ১৫০ জন প্রতিযোগী অংশ নেবে। বিভিন্ন বিভাগে চ্যাম্পিয়নদের ট্রফি ছাড়াও আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার কলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে প্রতিযোগিতার বিস্তারিত জানানো হয়। হাজির ছিলেন রাজ্য কুস্তি সংস্থার সচিব শোভন চক্রবর্তী, সহ–সচিব নন্দন দেবনাথ, জাতীয় কুস্তি ফেডারেশনের সহ–সভাপতি অসিত সাহা, রাজ্য অলিম্পিক সংস্থার সচিব জহর দাস প্রমুথ।
রাজ্য কুস্তি সংস্থার সচিব শোভন চক্রবর্তীর লক্ষ্য খেলাকে আরও জনপ্রিয় করা। যাতে কুস্তি বাংলাতে আবার তার পুরনো গৌরব ফিরে পায়। সচিব পদে বসার পর থেকেই তিনি এই ব্যাপারে নিরলস পরিশ্রম করে আসছেন। ২০৩৬ অলিম্পিককে সামনে রেখে বাংলা থেকে নতুন প্রতিভা তুলে নিয়ে আসতে চান। শোভন চক্রবর্তী বলেন, ‘কুস্তিতে একসময় বাংলার দারুণ গৌরব ছিল। নির্মল বোস, কেপি রাই, নিরঞ্জন দাস, তারকেশ্বর পাণ্ডে, সুধীর সাহার মতো বাঙালী কুস্তিগীররা অলিম্পিকে অংশগ্রহন করেছিলেন। আবার সেই জনপ্রিয়তা ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য কিডসদের নিয়ে এই প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হচ্ছে। যাতে বাচ্চাদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ে। আমাদের লক্ষ্য ২০৩৬ অলিম্পিকের জন্য কুস্তিগীর তৈরি করা।’