কুইন্টন ডিককের দুরন্ত ব্যাটিং, রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে প্রথম জয় নাইট রাইডার্সের
উদ্বোধনী ম্যাচে ঘরের মাঠে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হার দিয়ে আইপিএল অভিযান শুরু করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দ্বিতীয় ম্যাচেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে প্রথম জয় তুলে নিল নাইটরা।
৬১ বলে অপরাজিত ৯৭। নাইট রাইডার্সকে প্রথম জয় এনে দিলেন ডিকক।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৫
Share on:
উদ্বোধনী ম্যাচে ঘরের মাঠে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হার দিয়ে আইপিএল অভিযান শুরু করেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দ্বিতীয় ম্যাচেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে প্রথম জয় তুলে নিল নাইটরা। প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে দুরন্ত ব্যাটিং করে দলকে জয় এনে দিলেন কুইন্টন ডিকক।
টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান নাইট রাইডার্স অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। যশস্বী জয়সওয়াল ও সঞ্জু স্যামসন জুটি ভাল শুরু করলেও দলকে বেশিদূর এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি। ৩৩ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় রাজস্থান। বৈভব আরোরার বলে বোল্ড হন সঞ্জু স্যামসন (১১ বলে ১৩)। ক্রিজে নেমেই ঝড় তুলেছিলেন রিয়ান পরাগ (১৫ বলে ২৫)। তিনিও বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি। বল বলেই ব্যাট চালাতে গিয়ে উইকেট ছুঁড়ে দেন পরাগ। বরুণ চক্রবর্তীর বল গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে আকাশে তোলেন। উইকেটের পেছনেই উঁচু ক্যাচ তালুবন্দী করেন কুইন্টন ডিকক। নিজের প্রথম ওভারেই সাফল্য বরুণের।
এরপরই রাজস্থান রয়্যালসের রান তোলার গতিতে রাশ টানেন নাইটের দুই স্পিনার বরুণ চক্রবর্তী ও মইন আলি। রিয়ান পরাগ আউট হওয়ার পরের ওভারেই যশস্বীকে (২৪ বলে ২৯) তুলে নেন মইন। এক ওভার পরেই ফেরান নীতীশ রানাকে (৮)। মাঝের ওভের ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গাকে (৪) তুলে নেন বরুণ। পরপর ৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। ধ্রুব জুরেলের ব্যাটিংয়ে কিছুটা স্বস্তি ফেরে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান তোলে রাজস্থান। ২৮ বলে ৩৩ রান করেন জুরেল। ৭ বলে ১৬ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন জোফ্রা আর্চার। দুরন্ত বোলিং করে ১৭ রানে ২ উইকেট নেন বরুণ চক্রবর্তী। ২৩ রানে ২ উইকেট মইনের। ২টি করে উইকেট নেন বৈভব আরোরা ও হর্ষিত রানা।
জয়ের জন্য ১৫২ রান আপাতদৃষ্টিতে খুব একটা কঠিন ছিল না। কিন্তু গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামের বাইশ গজে যথেষ্ট কঠিন ছিল। মন্থর উইকেটে জোফ্রা আর্চার, মহেশ থিকসানা, রিয়ান পরাগদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং শুরুতে ঝড় তুলতে দেয়নি সুনীল নারাইনের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া মইন আলি ও অন্য ওপেনার কুইন্টন ডিকককে। পাওয়ার প্লে–র প্রথম ৬ ওভারে মাত্র ৪০ রান তোলে নাইটরা।
এরপরই ধাক্কা নাইট শিবিরে। গাছাড়া মানসিকতার খেসারত দিয়ে রান আউট মইন আলি (১২ বলে ৫)। অজিঙ্কা রাহানেও (১৫ বলে ১৮) বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ৭০ রানে ২ উইকেট হারানোর পর নাইট রাইডার্সকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান কুইন্টন ডিকক ও অঙ্গকৃষ রঘুবংশী। ১৭.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নাইট রাইডার্স (১৫৩/২)। দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে দলকে জয় এনে দেন ডিকক। ৬১ বলে ৯৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১৭ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন অঙ্গকৃষ রঘুবংশী।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.