কার্লেস কুয়াদ্রাতের আমলে এই জামশেদপুর এফসি–র কাছে ২–০ ব্যবধানে হারতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। ফিরতি ম্যাচে অস্কার ব্রুজোর হাত ধরে মধুর প্রতিশোধ। জামশেদপুরকে ১–০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম ছয়ে থাকার স্বপ্ন বাড়িয়ে তুলল লালহলুদ ব্রিগেড। ঘরের মাঠে এই প্রথম পরপর দুটি ম্যাচে জয় পেল ইস্টবেঙ্গল।
দিয়ামানতাকোসের গোলেই জয় এল ইস্টবেঙ্গলের।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০২৪
Share on:
আইএসএল শুরুর ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে এই ইস্টবেঙ্গলের কতই না পার্থক্য। শুরুর দিকে ইস্টবেঙ্গলকে দেখে মনে হত হারার জন্যই মাঠে নেমেছে। সবসময় আতঙ্কে থাকতেন সমর্থকরা। অস্কার ব্রুজো দায়িত্ব নেওয়ার পর বদলে গেছে ছবিটা। ইস্টবেঙ্গল যেন এখন জেতার জন্যই মাঠে নামে। কার্লেস কুয়াদ্রাতের আমলে এই জামশেদপুর এফসি–র কাছে ২–০ ব্যবধানে হারতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। ফিরতি ম্যাচে অস্কার ব্রুজোর হাত ধরে মধুর প্রতিশোধ। জামশেদপুরকে ১–০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথম ছয়ে থাকার স্বপ্ন বাড়িয়ে তুলল লালহলুদ ব্রিগেড। ঘরের মাঠে এই প্রথম পরপর দুটি ম্যাচে জয় পেল ইস্টবেঙ্গল।
চোটের জন্য মাদিহ তালাল, সল ক্রেসপো নেই। মাঝে কয়েকটা ম্যাচে খেলতে পারেননি দিয়ামানতাকোস। পুরো ফিট হয়ে এদিন মাঠে নামলেন। দীর্ঘদিন পর আক্রমণভাগে শুরু থেকেই দুই বিদেশি দিয়ামানতাকোস ও ক্লেইটন সিলভা। বাঁদিকে মহেশ সিংয়ের জায়গায় বিষ্ণু। এই তরুণ ফুটবলার গোটা ম্যাচে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিলেন। ৩ মিনিটেই সুযোগ এসে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের সামনে। জামশেদপুর এফসি–র মাঝমাঠ থেকে বাঁদিকে বল বাড়িয়েছিলেন দিয়ামানতাকোস। বল ধরে অনেকটা এগিয়ে গিয়ে গোললাইন থেকে মাইনাস করেছিলেন ক্লেইটন। পিভি বিষ্ণু পৌঁছনোর আগেই বল ধরে নেন জামশেদপুর গোলকিপার আলভিনো।
মিনিট চারেক পর আবার সুযোগ ইস্টবেঙ্গলের সামনে। থ্রো–ইন থেকে ভেসে আসা বল বক্সে পেয়ে গিয়েছিলেন ক্লেইটন। তাঁর শট বাঁচান আলভিনো। বল বিপদমুক্ত হয়ে যায় আনোয়ার আলির কাছে। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৯ ও ১০ মিনিটে পরপর দুটি সুযোগ পেয়েছিলেন জামশেদপুরের সিভেরিও। তাঁর দুটি শটই সাইড নেটে আছড়ে পড়ে। ১৬ মিনিটে আরও একটা সুযোগ এসে গিয়েছিল সিভেরিওর সামনে। গোল ছেড়ে বেরিয়ে এসে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে বাঁচান ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার প্রভসুখন গিল। এরপর সেভাবে গোলের সুযোগ আসেনি। তবে ৩৭ মিনিটে ক্লেইটনের দুর্দান্ত পাস জামশেদপুর গোলকিপারকে সামনে একা পেয়েও তাঁর হাতে মারেন নন্দকুমার। না হলে তখনই এগিয়ে যেতে পারত ইস্টবেঙ্গল।
গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধে আরও ঝাঁপিয়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল। ৫৫ মিনিটে ক্লেইটন সিলভার কর্নারে হেড করেছিলেন হেক্টর। ফিস্ট করে নিশ্চিত গোল বাঁচান জামশেদপুর গোলকিপার আলভিনো। ২ মিনিট পর সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও বল বাইরে মারেন দিয়ামানতাকোস। ৬০ মিনিটে এক দুর্দান্ত আক্রমণ থেকে গোলও তুলে নেয়। মাঝমাঠ থেকে হেক্টর ইউস্তে বল দিয়েছিলেন নন্দকুমারকে। নন্দকুমারের থেকে বল পান ক্লেইটন। আবার তিনি দেন নন্দকুমারকে। ডানদিক দিয়ে ঢুকে বক্সের মধ্যে আড়াআড়ি পাস বাড়ান। বিষ্ণু ব্যাকহিল করার চেষ্টা করেন। পায়ে বলে সংযোগ হয়নি। বল চলে যায় বাঁদিক থেকে থেকে উঠে আসা দিয়ামানতাকোসের সামনে। তিনি বল জালে পাঠাতে ভুল করেননি। ৬৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারত ইস্টবেঙ্গল। বাঁদিক দিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে বাঁপায়ে শট নিয়েছিলেন পিভি বিষ্ণু। বল বারে লেগে ফিরে আসে। শেষ দিকে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল জামশেদপুর এফসি–র সামনে। কাজে লাগাতে পারেনি।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.