এক মাসের মধ্যেই মোহনবাগানের ওপর থেকে ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ফিফা
মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের ওপর থেকে ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ফিফা। মঙ্গলবার ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি মোহনবাগানের ওপর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা সরকারিভাবে জানিয়ে দিয়েছে। ফলে আগামী মরশুমে নতুন ফুটবলার সই করানোর ব্যাপারে আর কোনও বাধা রইল না।
উঠে গেল ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা। নতুন মরশুমে ফুটবলার সই করাতে আর বাধা রইল না মোহনবাগানের।
স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৫
Share on:
মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের ওপর থেকে ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ফিফা। মঙ্গলবার ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি মোহনবাগানের ওপর থেকে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা সরকারিভাবে জানিয়ে দিয়েছে। ফলে আগামী মরশুমে নতুন ফুটবলার সই করানোর ব্যাপারে আর কোনও বাধা রইল না মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের।
অস্ট্রেলিয়ার ক্লাব সেন্ট্রাল কোস্ট মেরিনার্স এফসি থেকে মোহনবাগানে যোগ দেন অস্ট্রেলিয়ান স্ট্রাইকার জেসন কামিংস। কিন্তু সেন্ট্রাল কোস্ট মেরিনার্সকে চুক্তিমতো ট্রান্সফার ফি দেয়নি মোহনবাগান। ট্রান্সফার ফি–র পুরো অর্থ না পাওয়ায় ফিফায় অভিযোগ জানায় সেন্ট্রাল কোস্ট মেরিনার্স। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ৫ মে মোহনবাগানের ওপর ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা জারি করে ফিফা।
এরপর মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের পক্ষ থেকে ফিফার কাছে ১০৭ পাতার একটা নথি জমা দেওয়া হয়। ওই নথিতে ফিফার গভর্নিং বডির সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। মোহনবাগানের উত্তরে সন্তুষ্ট ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। তাই এক মাসের মধ্যেই মোহনবাগানের ওপর থেকে ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হল। মোহনবাগানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ফিফার কাছে ১০৭ পৃষ্ঠার একটা নথি জমা দিয়েছে এবং যে দুটি প্রশ্ন ছিল, তার উত্তরও দিয়েছে। অবশেষে ফিফার শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা জানিয়ে মেল করেছে।’
একসময় মুম্বই সিটি এফসি–কেও ফিফার ট্রান্সফার নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হয়েছিল। ৩ মাস পর তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। মোহনবাগানের সমস্যা একমাসের মধ্যেই সমাধান হয়ে গেল। এই মরশুমে ৯ জুন থেকে ট্রান্সফার উইন্ডো খুলেছে। নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় মোহনবাগানের নতুন ফুটবলার নিতে আর কোনও সমস্যা রইল না।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.