প্রথম ম্যাচে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে আটকে গিয়েছিল মহমেডান স্পোর্টিং। তৃতীয় ম্যাচে হার। চাপ নিয়ে মঙ্গলবার খেলতে নেমেছিল আর্মি রেডের বিরুদ্ধে। এদিন দলকে জেতাতে না পারলে চাকরি যেত সাদাকালো কোচ হাকিম সেনজেন্দোর। উগান্ডার এই কোচের চাকরি বাঁচালেন ফুটবলাররা। টানা দু’ম্যাচ পর জয়ে ফিরল মহমেডান। ৩-১ ব্যবধানে হারাল আর্মি রেডকে।
প্রথমার্ধের শুরুর দিকে খেলা দেখে কখনোই মনে হয়নি বড় ব্যবধানে জিততে পারবে মহামেডান। আগের দিনের মতোই ছন্নছাড়া ফুটবল। এরপর ধীরে ধীরে খেলায় ফেরে সাদাকালো ফুটবলাররা। ১৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল মহমেডানের সামনে। এডিসন সিংয়ের সেন্টারে রবিনসন হেড করেছিলেন। বল পোস্টের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এটাই মহমেডানের কাছে দিনের প্রথম সুযোগ। ২৩ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন রবিনসন। ডান দিক থেকে এডিসন সিংয়ের গড়ানো পাস সুবিধাজনক জায়গায় পেয়েও জালে রাখতে পারেননি। তাঁর শট পোস্টের পাশ দিয়ে বল বেরিয়ে যায়।
৩৭ মিনিটে শাহিল পিপি-র ভুলে এগিয়ে যায় মহমেডান। তিনি গোলকিপারকে ব্যাকপাস করেছিলেন। সেই বল ধরে গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছিলেন লালথানকিমা। আংশিক প্রতিহত হওয়া বল ছিটকে যায় ইসরাফিল দেওয়ানের কাছে। জালে পাঠাতে ভুল করেননি তিনি। মিনিটখানের পরই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল আর্মি রেডের সামনে। রাহুল রামকৃষ্ণানের বিরুদ্ধে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে সামাল দেন মহামেডান গোলকিপার শুভজিৎ ভট্টাচার্য। প্রথমার্ধের শেষ দিকে নিজেদের বক্সের মধ্যে মহমেডানের জোসেফের হাতে বল লাগলেও রেফারি এড়িয়ে যান। নিশ্চিত পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয় আর্মি রেড। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে আবার সেই ইসরাফিলের গোলে ব্যবধান বাড়ায় মহমেডান। বাঁদিক থেকে সেন্টার করেছিলেন শুভ বিশ্বাস। অরক্ষিত ইসরাফিল দারুণ হেডে দ্বিতীয় পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধেও খুব একটা ভাল শুরু করতে পারেনি মহমেডান। কিন্তু আস্তে আস্তে খেলায় ফেরে। ৫৩ মিনিটে মাথায় মহমেডানের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন এডিসন সিং। ৬৫ মিনিটে পেনাল্টি পায় রেড আর্মি। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান প্রদীপ কুমার। ৮৭ মিনিটে জোথানপুইয়ার শট বারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বল জালে পাঠিয়েছিলেন দীপ মজুমদার। অফসাইডের জন্য বাতিল হয়।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.