ট্রেন্ডিং

Durand Cup

বাঁচিয়ে দিল বিশালের হাত, পাঞ্জাব এফসি–কে সাডেন ডেথে হারিয়ে ডুরান্ড সেমিফাইনালে মোহনবাগান

টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাঞ্জাব এফসি–কে সাডেন ডেথে ৬–৫ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে উঠল মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। টাইব্রেকারে দু–দুটি শট বাঁচিয়ে দলকে সেমিফাইনালে তুললেন বাগান গোলকিপার। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ছিল ৩–৩।

মোহনবাগানের হয়ে পঞ্চম শটে গোল করেন গ্রেগ স্টুয়ার্ট

স্পোর্টস টাইম ওয়েব ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৩, ২০২৪
Share on:

ডুরান্ড কাপ থেকে আগেই বিদায় নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগান সুপার জায়ান্টও সেই পথেই এগোচ্ছিল। বাঁচিয়ে দিল গোলকিপার বিশাল কাইথের বিশ্বস্ত হাত। টাইব্রেকারে দু–দুটি শট বাঁচিয়ে দলকে সেমিফাইনালে তুললেন বাগান গোলকিপার। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাঞ্জাব এফসি–কে সাডেন ডেথে ৬–৫ ব্যবধানে হারিয়ে ডুরান্ড কাপের সেমিফাইনালে উঠল গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ছিল ৩–৩।

পাঞ্জাব এফসি–র বিরুদ্ধে ৩–৪–৩ ছকে দল সাজিয়েছিলেন মোহনবাগান কোচ হোসে মোলিনা। জেসন কামিন্স, দিমিত্রি পেত্রাতোসকে প্রথম একাদশে রাখেননি। আক্রমণভাগে এক বিদেশি গ্রেগ স্টুয়ার্টের সঙ্গে রেখেছিলেন সুহেল ভাট ও মনবীর সিংকে। শুরু থেকেই আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল মোহনবাগান। বলের দখলও বেশি ছিল। ১০ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ এসেছিল মোহনবাগানের সামনে। গ্রেগ স্টুয়ার্টের ফ্রিকিক থেকে হেড করেছিলেন টম অ্যালড্রেড। সরাসরি বল চলে যায় পাঞ্জাব গোলকিপারের হাতে।  

খেলার গতির বিরুদ্ধে ১৭ মিনিটে এগিয়ে যায় পাঞ্জাব। বক্সের মধ্যে বিনীত রাইকে ফাউল করেন আলবার্তো। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে গোল করে পাঞ্জাব এফসি–কে এগিয়ে দেন লুকা মাজসেন। ২২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল মোহনবাগানের সামনে। সুবিধাজনক জায়গা থেকেও বল বাইরে মারেন লিস্টন কোলাসো। অবশেষে ম্যাচের ৪৪ মিনিটে সমতা ফেরায় মোহনবাগান। কোলাসোর পাস থেকে গোল লক্ষ্য করে শট নিয়েছিলেন গ্রেগ স্টুয়ার্ট। বল সুহেল ভাটের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে গোলে ঢুকে যায়। 


আরও পড়ুনঃ নাদিম নামেননি, তবুও ডায়মন্ড লিগে সোনা এল না, মরশুমের সেরা থ্রো করেও দ্বিতীয় নীরজ চোপড়া


দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে যায় মোহনবাগান। ৪৮ মিনিটে সাহালের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের বাঁদিকের কোণ থেকে ডানপায়ের শটে গোল করেন মনবীর। ২ মিনিট পরেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল পাঞ্জাবের সামনে। নিহালের শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন বাগান গোলকিপার বিশাল কাইথ। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাঞ্জাব। অবশেষে ৬৩ মিনিটে বাঁপায়ের গোলার মতো শটে সমতা ফেরান এজেকুয়েল ভিদাল। 

ম্যাচে সমতা ফেরার পরপরই আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়াতে আলবার্তো রডরিগেজের জায়গায় দিমিত্রি পেত্রাতোসকে মাঠে নামান মোলিনা। এরপরই এগিয়ে যায় পাঞ্জাব। গোল করেন ভিদাল। আক্রমণে চাপ বাড়িয়ে ৭৯ মিনিটে সমতা ফেরায় মোহনবাগান। বাঁদিক থেকে ভেসে আসা বল বক্সের মধ্যে হেডে নামিয়ে দেন মনবীর। ডানপায়ের জোরালো শটে গোল করেন পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামা জেসন কামিংস। বাকি সময়ে কোনও দলই গোল করতে পারেনি। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে পাঞ্জাবের হয়ে প্রথম শটে গোল করেন বিনীত রাই। মোহনবাগানে জেসন কামিংসের শট পোস্টে লাগে। এরপর পাঞ্জাবের হয়ে গোল করেন পুলগা ভিদাল, বাকেঙ্গা ও ফিলিপ। ইভানের পঞ্চম শট আটকে দেন মোহনবাগান গোলকিপার বিশাল কাইথ। মোহনবাগানের হয়ে পঞ্চম শটে গোল করেন গ্রেগ স্টুয়ার্ট। টাইব্রেকারে পল থাকে ৪–৪। সাডেন ডেথে প্রথম শটে পাঞ্জাবের হয়ে গোল করেন মেলরয়, মোহনবাগানের হয়ে গোল করেন শুভাশিস বোস। পাঞ্জাবের ধ্যানচন্দ্রের শট আটকে দেন বিশান। টম অ্যালড্রেড গোল করে মোহনবাগানকে সেমিফাইনালে তোলেন।  

আরও পড়ুনঃ

অন্যান্য খবর

Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.

Copyright © 2026 Inside Bangla News Portal . All Rights Reserved. Designed by Avquora