ক্যালকাটা রোয়িং ক্লাবে অনুষ্ঠিত হল এক অভিনব দাবা প্রতিযোগিতা। ৫০ বছর ও তার বেশি বয়সের বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে এই দাবা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল চেসমিট ফাউন্ডেশন ও মাইন্ড গেম চেস অ্যাকাডেমি। প্রবীণদের মানসিক সুস্থতা, একাকীত্ব ও ডিমেনশিয়া সম্পর্কে সচেতনতা গড়ে তোলাই ছিল এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
এই অভিনব দাবা প্রতিযোগিতায় কর্পোরেট জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তি, অধ্যাপক, শিক্ষক, চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন। অতীতের প্রথিতযশা দাবাড়ু আনন্দ কুমার ঘোষ, স্বপন কুমার মিত্র, সুদীপ মল্লিক, উদয়ন কান্তি ঘোষরাও অংশ নিয়েছিলেন। সবথেকে বড় চমক ছিল কলকাতা নিউরো সায়েন্স ইনস্টিটিউটের ভাইস–চেয়ারম্যান বিশিষ্ট নিউরো সার্জেন ডাঃ হৃষিকেশ কুমারের অংশগ্রহন। এছাড়াও অংশ নিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক মাস্টারও গ্র্যান্ডমাস্টারসহ প্রথিতযশা দাবাড়ুদের বাবা–মা এবং বাংলার প্রাক্তন চ্যাম্পিয়ন দাবাড়ুরাও।
আরও পড়ুনঃ সুদানে সোনার খনিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, ১১ জনের মৃত্যু, ৩০ জন আহত, অসংখ্য নিখোঁজ
আরও পড়ুনঃ ইমরান খানের বোন আলিমা খানকে বাড়ির সামনে থেকে জোরপূর্বক গ্রেফতার করল লাহোর পুলিশ
প্রতিযোগিতা চলাকালীন অ্যালজাইমার ও ডিমেনশিয়া থেকে মুক্তির জন্য দাবা কতটা প্রয়োজনীয় সে বিষয়ে বিশিষ্টজনেরা ব্যাখ্যা করেন। এছাড়া হার্টের সুস্থতা, মেন্টাল ওয়েলনেস এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আলোচনা করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক রাণা রাঠোর রায়, ডাঃ ইপ্সিতা রায় এবং ডায়াটিসিয়ান জয়তী। স্নায়ু সচেতনতায় দাবার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন ইনস্টিটিউট অফ নিউরোসাইন্সের ভাইস–চেয়ারম্যান ডাঃ হৃষিকেশ কুমার।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তথা ক্যালকাটা রোয়িং ক্লাবের সভাপতি চন্দন রায়চৌধুরি ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ডঃ আশুতোষ ঘোষ। হাজির ছিলেন চেসমিট ফাউন্ডেশনের সভাপতি মধুরিমা সেনগুপ্ত, সচিব অনির্বান মুখার্জি, মাইন্ড গেম চেস অ্যাকাডেমির সিইও ডঃ জয়ন্ত সরকার প্রমুখ। এদিন প্রতিযোগিতার মাঝেই করুণা ভট্টাচার্যকে চেস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য করা হয়। এছাড়া দাবায় বিশেষ অবদানের জন্য উদয়ন কান্তি ঘোষকে আজীবন স্বীকৃতি সম্মান প্রদান করা হয়।