রনজি ট্রফিতে ইতিহাস জম্মু ও কাশ্মীরের, বাংলাকে ৬ উইকেটে উড়িয়ে প্রথমবার ফাইনালে
কোয়ার্টার ফাইনালে অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ইনিংস ও ৯০ রানে জয়। অনেকেই ভেবেছিল বাংলা যেভাবে খেলছে, সেমিফাইনালেও জম্মু ও কাশ্মীরকে হেলায় উড়িয়ে দেবে। আত্মবিশ্বাসী ছিল গোটা শিবিরও। আবার সেই সেমিফাইনালে এসে ছন্দপতন। একটা সেশনে ব্যাটিং বিপর্যয়ই স্বপ্ন শেষ করে দিল বাংলার। সেমিফাইনালে জম্মু ও কাশ্মীরের কাছে ৬ উইকেটে হেরে রনজি ট্রফি বিদায় নিল নিল বাংলা। এই প্রথম রনজি ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়ল জম্মু ও কাশ্মীর।
রনজিতে আবার ব্যর্থতা। সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হল বাংলাকে।
ইনসাইড বাংলা ওয়েব ডেস্ক
শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
Share on:
এবছর রনজিতে বাংলা যেভাবে এগোচ্ছিল, মনে হচ্ছিল হয়তো দীর্ঘদিনের খরা কাটিয়ে ট্রফি ঘরে তুলবে। গ্রুপ পর্বে সবথেকে বেশি পয়েন্ট সংগ্রহ করে নক আউটে উঠে আসা। কোয়ার্টার ফাইনালে অন্ধ্রপ্রদেশের বিরুদ্ধে ইনিংস ও ৯০ রানে জয়। অনেকেই ভেবেছিল বাংলা যেভাবে খেলছে, সেমিফাইনালেও জম্মু ও কাশ্মীরকে হেলায় উড়িয়ে দেবে। আত্মবিশ্বাসী ছিল গোটা শিবিরও। আবার সেই সেমিফাইনালে এসে ছন্দপতন। একটা সেশনে ব্যাটিং বিপর্যয়ই স্বপ্ন শেষ করে দিল বাংলার। সেমিফাইনালে জম্মু ও কাশ্মীরের কাছে ৬ উইকেটে হেরে রনজি ট্রফি বিদায় নিল নিল বাংলা। এই প্রথম রনজি ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়ল জম্মু ও কাশ্মীর।
কল্যানীর বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির মাঠে টস জিতে বাংলাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীর। সুদীপ ঘরামির সেঞ্চুরির ওপর ভর করে বাংলা প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ৩২৮। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মহম্মদ সামির দুরন্ত বোলিংয়ের সৌজন্য ৩০২ রানে গুটিয়ে যায় জম্মু ও কাশ্মীর। জীবনের সেরা বোলিং করে ৯০ রানে ৮ উইকেট তুলে নেন সামি। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় বাংলা। আকিব নবি দার ৩৬ রানে ও সুনীল কুমার ২৭ রানে ৪টি করে উইকেট নেন। বাংলার হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন শাহবাজ আহমেদ (২৪)।
জয়ের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৬। এত কম রানের পুঁজি নিয়ে জেতার জন্য বাংলা তাকিয়ে ছিল মহম্মদ সামির দিকে। কিন্তু ক্লান্ত সামি দ্বিতীয় ইনিংসে একেবারেই জ্বলে উঠতে পারেননি। তৃতীয় দিনের শেষে জম্মু ও কাশ্মীর ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ৪৩। দুটি উইকেটই নেন আকাশদীপ। তিনি ফেরান শুভম খাজুরিয়া (৬) ও ইয়াওয়ের হাসানকে (১)। শুভম পুন্ডির (২৩) এবং বংশজ শর্মা (৯) ক্রিজে ছিলেন। তৃতীয় দিনেই জয়ের দিকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল জম্মু ও কাশ্মীর।
চতুর্থ দিনে জম্মু ও কাশ্মীরের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৮৩ রান। বাংলা শিবির স্বপ্ন দেখেছিল দুরন্ত ছন্দে থাকা মহম্মদ সামির হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াবে। প্রথম ইনিংসে দুরন্ত বোলিং করে ৮ উইকেট তুলে নেওয়া সামি অবশ্য চতুর্থ দিন ছন্দে ছিলেন না। সেই সুযোগটাই কাজে লাগান জম্মু ও কাশ্মীর ব্যাটাররা। বুধবার দিনের শুরুতে দুই ব্যাটার শুভম পুন্ডির (২৭) ও পরশ ডোগরাকে (৯) ফিরে গেলেও বংশজ শর্মা (অপরাজিত ৪৩) ও আব্দুল সামাদ (অপরাজিত ৩০) জম্মু ও কাশ্মীরকে জয় এনে দেন। ৪ উইকেটে ১২৬ তুলে ফাইনালে পৌঁছে যায় জম্মু ও কাশ্মীর।
Inside Bangla is a comprehensive digital news platform. This web portal started its humble journey. Its courageous journalism, presentation layout and design quickly won the hearts of people. Our journalists follow the strict Journalism ethics.